সময় কি তাকে ছেড়ে দেবে, নাকি আবারও নেতৃত্ব দেবেন?
বিশ্ব ফুটবলে লিওনেল মেসির নাম মানেই ইতিহাস, আবেগ এবং অসাধারণ প্রতিভা।
কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা একটু ভিন্ন:
মেসি কি খেলবেন—না, বরং তিনি কী ভূমিকা পালন করবেন?
কারণ সময় সবার জন্যই চলে। এবং ফুটবলও তার ব্যতিক্রম নয়।
২০২৬ সালে মেসির বয়স হবে ৩৯-এর কাছাকাছি।
এটি এমন একটি পর্যায়, যেখানে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়রাও নিজেদের ভূমিকা বদলাতে বাধ্য হন।
গতি কমে যায়, শারীরিক চাপ বাড়ে এবং ম্যাচের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা কঠিন হয়।
তবে মেসির ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু আলাদা। কারণ তিনি শুধু গতি দিয়ে খেলেন না—তিনি খেলার মস্তিষ্ক।
বর্তমানে মেসি খেলছেন মেজর লিগ সকারে (MLS)।
যেখানে প্রতিযোগিতার মান ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর তুলনায় কম বলে অনেকেই মনে করেন।
এই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে।
কারণ বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি দরকার।
তাহলে প্রশ্ন: এই লিগে খেলে কি মেসি একই ধার বজায় রাখতে পারবেন?
ফুটবলে এমন অনেক কিংবদন্তি আছেন যারা শেষ দিকে এসে নিজেদের আগের রূপ ধরে রাখতে পারেননি।
সময় ধীরে ধীরে সবার উপরই প্রভাব ফেলে।
এখন সেই একই প্রশ্ন মেসিকে ঘিরে।
তিনি কি ব্যতিক্রম হবেন?
নাকি তিনিও স্বাভাবিক নিয়মের মধ্যেই পড়বেন?
সম্ভবত ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির ভূমিকা আগের মতো হবে না।
তিনি হয়তো পুরো ম্যাচ খেলবেন না, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।
তিনি হতে পারেন:
- প্লেমেকার - নেতা - অভিজ্ঞতার প্রতীক
এবং হয়তো এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি ২০ মিনিটেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারেন।
বাংলাদেশে মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন—তিনি আবেগ।
অনেক ভক্ত বিশ্বাস করেন: মেসি শেষ মুহূর্তেও পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।
এবং এই বিশ্বাসই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
মেসি কি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন? সম্ভব।
কিন্তু আসল প্রশ্নটা এখন অন্য:
তিনি কি আগের মতো হিরো থাকবেন, নাকি নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে?
সময় সবার জন্যই এগিয়ে যায়।
কিন্তু ফুটবল ইতিহাস বারবার দেখেছে— কিছু খেলোয়াড় সময়ের নিয়ম বদলে দেয়।
মেসি কি আবার সেটাই করবেন?